News update
  • Roundtable hopes 13th Parliament would emerge as a milestone      |     
  • ECNEC Approves Nine Projects Worth Tk 36,695 Crore     |     
  • Fitch Revises Bangladesh Outlook to Negative     |     
  • Rooppur NPP Unit-1 completes nuclear fuel loading     |     
  • Remittance surges 56.4% to $1.44 billion in 11 days of May     |     

বাংলাদেশে পিস টিভির সম্প্রচার চান ডা. জাকির নায়েক

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ধর্মবিশ্বাস 2024-08-21, 7:53pm

gewrwerwrq-24210bc644d01245102dd8065a8c3c5b1724248412.jpg




ধর্মপ্রচারক ড. জাকির নায়েক বলেছেন, তার প্রতিষ্ঠিত পিস টিভি বাংলাসহ ইংরেজি, উর্দু ও চাইনিজ ভাষায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। কিন্তু তা বাংলাদেশের দর্শকরা দেখতে পারছেন না। তবে তিনি চান যে, পিস টিভি বাংলাদেশের মানুষ দেখতে পাক।

সোমবার (১৯ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। দর্শক প্রশ্ন করেন, ‘নতুন বাংলাদেশে পিস টিভি বাংলা কি চালু করতে পারবেন?’

জবাবে টেলিভিশনটির প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি ড. জাকির নায়েক বলেন, বাংলাদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া পিস টিভি বাংলার সম্প্রচার ফের চালু হতে পারে। এর স্যাটেলাইট সম্প্রচার কখনও বন্ধ হয়নি। শুধু বাংলাদেশ ও ভারতে পিস টিভির ডাউনলিংকের অনুমতি তুলে নেয়ায় ক্যাবল অপারেটররা তা বন্ধ রেখেছে। তা চালুর জন্য আবেদন করা হয়েছে।

দ্রুত তার আবেদনে সরকার সারা দিবে। এমন প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, নতুন সরকারের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে খুব বেশি ‘ক্লোজ নয়’। সুতরাং তারা অনুমতি দিলে শিগগিরই এটি চালু করা যাবে। এটি আগামী দুই তিন সপ্তাহের মধ্যেও চালু হতে পারে।

ডা. জাকির নায়েক আরও বলেন, ছয় মিলিয়নের বেশি বাংলাদেশি আমার ফেসবুক পেইজ অনুসরণ করেন। আমি বাংলাদেশিদের ভালোবাসায় আপ্লুত। ইতোপূর্বে দুইবার ভিসা পেয়েও বাংলাদেশে যেতে পারিনি। তবে আগামীতে বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের জুলাইতে ঢাকায় হোলি আর্টিসানে হামলাকারীদের একজন পিস টিভির বক্তা জাকির নায়েক দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল, এমন অভিযোগের পর থেকে পিস টিভি বন্ধ করে দেয়া হয়। হোলি আর্টিসানে হামলার পর দিল্লি থেকেও জাকির নায়েকের ওপর অনুসন্ধান চালিয়ে দেশটিতে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়। ওই বছরই জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে এফআইআর জারি ও তার ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার। পরে দেশ ছেড়ে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান। তবে তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।

তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য মালয়েশিয়ার কাছে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধও জানিয়েছে। ভারতের অভিযোগ, ইন্টারপোল যাতে তার বিরুদ্ধে ‘রেড কর্নার নোটিশ’ জারি করে, সে জন্যও ভারত উদ্যোগী। আরটিভি