News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

নির্বাচনের শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবেন ১০৫১ ম্যাজিস্ট্রেট

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক নির্বাচন 2026-02-05, 8:03am

rtyrtyrt-94e1424f7cd9ef834334855d42c270e21770257000.jpg




নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় ১ হাজার ৫১ কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়। 

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সাথে দায়িত্বপালনের লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম সংক্রান্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’, যা ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) আইন, ২০০৯’ দ্বারা সংশোধিত, এর ১০(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী এসব কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন মোতাবেক এ আইনের তফসিলভুক্ত আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রশিক্ষণ, যোগদান ও দায়িত্ব পালনের বিষয়ে একাধিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের জেলাগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (প্রথম ব্যাচ) সকাল ১০টায় এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্তরা একই দিন (দ্বিতীয় ব্যাচ) দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে জুম প্ল্যাটফর্মে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্ট জুম মিটিংয়ের আইডি ও পাসকোড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোন ও ই-মেইলে পাঠানো হবে।

এছাড়া, নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবশ্যিকভাবে যোগদান বা রিপোর্ট করতে হবে।

একইসাথে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারকে ওইদিন রাত ৮টার মধ্যে যোগদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।