News update
  • Cold wave disrupts life, livelihoods across northern Bangladesh     |     
  • US to Exit 66 UN and Global Bodies Under New Policy Shift     |     
  • LPG Supply Restored Nationwide After Traders End Strike     |     
  • Stocks advance at both bourses; turnover improves     |     
  • LCs surge for stable dollar, but settlement still sluggish     |     

সেন্ট মার্টিন ভাগ হচ্ছে চার ভাগে, প্রবেশ বন্ধ থাকবে রেস্ট্রিক্টেড জোনে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক পর্যটন 2026-01-06, 9:45pm

rweqeqeq-c3bf50c692939fb5b8298f0da76920f11767714345.jpg




পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সরকার সেন্ট মার্টিন দ্বীপের হারানো জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, সেন্ট মার্টিনে পর্যটন হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক এবং দ্বীপ ও পর্যটন ব্যবসা সমার্থক নয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্ট মার্টিন নিয়ে আয়োজিত মহাপরিকল্পনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজওয়ানা হাসান বলেন, দ্বীপের সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা সরকারের অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে দ্বীপবাসীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ওপর জোর দেন তিনি।

তিনি বলেন, ৮ হাজার মানুষের এই দ্বীপে প্রতিদিন ১০ হাজার পর্যটক গেলে স্থানীয়দের প্রাইভেসি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই পর্যটন অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত হবে।’ বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। হস্তশিল্প, মাছ ধরা ও নিয়ন্ত্রিত পর্যটন হতে পারে কর্মসংস্থানের বিকল্প।

সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণের জন্য চারটি জোন করার প্রস্তাব দিয়েছে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস)। সিইজিআইএসের বিশেষজ্ঞ এইচ এম নুরুল ইসলাম জানান, চারটি জোন হলো:

১. জেনারেল ইউজ জোন,পর্যটন ও সাধারণ অর্থনৈতিক কাজ চলবে, যেখানে সব হোটেল-রিসোর্ট থাকবে। 

২. ম্যানেজড রিসোর্স জোন, যেখানে কচ্ছপের প্রজনন হয়, দিনে পর্যটক ঘুরে বেড়াতে পারবেন, কিন্তু রাতে থাকতে পারবেন না। স্থানীয়রা কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করতে পারবেন না।

৩. সাসটেইনেবল ইউজ জোন, বুশল্যান্ড, লেগুন ও ম্যানগ্রোভ বন রয়েছে, যেখানে স্থানীয়রা টেকসই ব্যবস্থায় সম্পদ ব্যবহার করতে পারবেন। পর্যটকরা দিনে ঘুরতে পারবেন, রাত কাটাতে পারবেন না।

৪. রেস্ট্রিক্টেড জোন, জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

পরিবেশ সচিব ফারহিনা আহমেদ বলেন, সেন্ট মার্টিন রক্ষায় টেকসই ব্যবস্থাপনার মহাপরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। দ্বীপের ক্ষতি করার কোনো অধিকার কারো নেই। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ধীরে ধীরে ফিরে আসছে এবং প্রকৃতিবান্ধব স্থাপনা নির্মাণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দায়ারত্নে বলেন, জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ সেন্ট মার্টিনের সংরক্ষণ পরিকল্পনায় সহযোগিতা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

সেন্ট মার্টিনের সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে।