News update
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     
  • Air Force officer Saifur sent to jail over Ilias Ali disappearance     |     
  • Cultivation of Black Baby watermelons on a rooftop in Kalapara     |     

ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকেই এক বছরে ট্রাম্পের আয় ১০০ কোটি ডলার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-07-01, 12:36pm

trump-6ad5d29de368db3dcf6f9d8e133a223a1782887781.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে প্রথম বছরেই ক্রিপ্টোকারেন্সি-সম্পর্কিত ব্যবসা থেকে ১০০ কোটি ডলারেরও (১ বিলিয়ন ডলার) বেশি আয় করেছেন। ২০২৫ সালের বাধ্যতামূলক আর্থিক বিবরণীতে (ফাইন্যান্সিয়াল ডিসক্লোজার) এই তথ্য উঠে এসেছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত ৯২৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে দেখা যায়, ট্রাম্প তার নামে চালু করা ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ থেকে রয়্যালটি হিসেবে ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছেন। যদিও কয়েনটির বাজারমূল্য উদ্বোধনের পর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

এছাড়া তার দুই ছেলে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল থেকে ট্রাম্পের আয় হয়েছে ৫০ কোটিরও বেশি ডলার।

ক্রিপ্টোকারেন্সির পাশাপাশি ট্রাম্প তার বিভিন্ন ব্যবসা থেকেও কোটি কোটি ডলার আয় করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার-এ-লাগো ক্লাব থেকে তার আয় প্রায় ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার, ফ্লোরিডার ডোরাল গলফ ক্লাব থেকে আয় ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার, নিউ জার্সির বেডমিনস্টার, ফ্লোরিডার জুপিটার এবং স্কটল্যান্ডের টার্নবেরি গলফ ক্লাব থেকেও প্রত্যেকটি থেকে ৩ কোটির বেশি ডলার আয় হয়েছে।

এছাড়া ট্রাম্প ব্র্যান্ডের ঘড়ি, বাইবেল, জুতা, সুগন্ধি ও গিটার বিক্রি থেকেও মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন তিনি। শুধু ট্রাম্প ব্র্যান্ডের ঘড়ির রয়্যালটি থেকেই তার আয় হয়েছে ৪৭ লাখ ডলার।

ট্রাম্পের বিপুল আয় নিয়ে সমালোচনার মধ্যে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের ব্যবসাগুলো তার ছেলেদের পরিচালিত একটি ট্রাস্টের অধীনে রয়েছে। তাই প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের সঙ্গে ব্যক্তিগত ব্যবসার কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই।

হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানীতে পরিণত করতে কাজ করছেন। প্রেসিডেন্ট বা তার পরিবার কখনোই স্বার্থের সংঘাতে জড়াননি এবং ভবিষ্যতেও জড়াবেন না।

একসময় ট্রাম্প বিটকয়েনকে ‘প্রতারণা’ ও ‘বিপজ্জনক’ বলে সমালোচনা করেছিলেন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তিনি ক্রিপ্টো শিল্পের অন্যতম বড় সমর্থকে পরিণত হয়েছেন।

গত জুলাইয়ে তিনি জিনিয়াস আইনে স্বাক্ষর করেন, যার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রকে ডিজিটাল সম্পদ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বে নিয়ে যাওয়া।

প্রতিবেদনে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আয়ের তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি একটি প্রামাণ্যচিত্রের লাইসেন্স চুক্তি থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার এবং এনএফটি বিক্রি থেকে ৬০ লাখ ডলার আয় করেছেন।

ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬০০ কোটি ডলার, যা ২০২৪ সালে ছিল ২৩৩ কোটি ডলার। অন্যদিকে ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স তার সম্পদের পরিমাণ ৭৬০ কোটি ডলার বলে উল্লেখ করেছে।