News update
  • Deadly floods cause widespread destruction in China, Nepal     |     
  • 80 maunds (3 tons) of hilsa caught in one net in the Bay     |     
  • Glacier collapse likely caused Nepal-Tibet flood, scientists say     |     
  • UN Secy Gen Saddened Over Lives Lost in Nepal-Tibet Flash Floods     |     
  • UGC, UN Women partner to combat sexual violence at universities     |     

ভয় দেখিয়ে লাভ নেই হিন্দুরাও এখন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে: গোলাম পরওয়ার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2025-10-31, 1:09pm

dkjsjasdiausd-b33c6248d2e139dbd674114cab1c50f61761894580.jpg




হিন্দুদের নিয়ে এখন আর রাজনীতি করার সুযোগ নেই মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, হিন্দুরাও এখন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে এক হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাালে খুলনার ডুমুরিয়ার স্বাধীনতা চত্বরে অনুষ্ঠিত হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া হয়েছে, কিন্তু তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও দেশের উন্নয়নে প্রয়োজন ইসলামী সরকার।

দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশবাসী লাঙল, ধানের শীষ ও নৌকার শাসন দেখেছে। কিন্তু দুর্নীতি থেকে মুক্তি পায়নি। এবার মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট দেবে।

জামায়াত নেতা দাবি করেন, নভেম্বরেই গণভোট দিতে হবে এবং নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তার ভাষায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে—এতে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ হবে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ডুমুরিয়া একসময় সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য ছিল। সংসদ সদস্য থাকার সময় আমি এ এলাকা সন্ত্রাসমুক্ত করেছি। আগামীতে জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে ডুমুরিয়াকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডল। বক্তব্য দেন প্রমত গাইন, ডা. হরিদাস মণ্ডল, অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহ, কানাই লাল কর্মকারসহ স্থানীয় হিন্দু সংগঠনের নেতারা।

এর আগে সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ঢোল-তবলা-কাসাসহ নানা বাদ্যযন্ত্র নিয়ে হাজারো সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্মেলনে যোগ দেন। নাচ-গান আর উচ্ছ্বাসে পুরো স্বাধীনতা চত্বর উৎসবে পরিণত হয়। নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে সম্মেলনের মাঠে ছিল উপচে পড়া ভিড়।

সম্মেলন শেষে স্বাধীনতা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ অংশ নেন।