
‘এক্সকিউজ মি স্যার, এক্সকিউজ মি, মাফ করবেন স্যার, মাফ করবেন। স্যার, দিস ইজ দা লাস্ট টাইম। এটাই শেষ সময়। আই ওয়ার্নিং ইউ, আমি আপনাকে সতর্ক করছি। আই উইল নট লিসেন টু দিস। এরপর আমি আর এ বিষয়ে শুনব না। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আঙুল তুলে এভাবেই শাসালেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
রোববার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ ৮নং ওয়ার্ডের গ্রামবাসী আয়োজিত নির্বাচনী উঠান বৈঠক করেন তিনি। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার হাসান খান সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ তুললে তার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান রুমিন। এক পর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শাসিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
রুমিন বলেন, ‘সব জায়গায় সভা হচ্ছে, সব জায়গায় হচ্ছে। আপনি পারলে থামান, আজকে আমি ভদ্রতা দেখাইয়ে থামিয়েছি। নেক্সটটাইম এই ভদ্রতাটা করব না। আপনাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়। আপনারা খোঁজ নেন প্রশাসনে বইসা আছেন, আপনারা খোঁজ নেন। আজকে আমি আঙুল তুলে বলে যাচ্ছি। আজকে শুনছি কিন্তু ভবিষ্যতে আর শুনব না। আমার এই মানুষগুলো দেখছেন, এখান থেকে বের হতে পারবেন না। আমি যদি না বলি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার। মাথায় রাইখেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সময়ে আজকে যাদের কথা শুনে আপনারা চলছেন, তারা কানে ধইরা খাটের নিচে থাকতো স্যার। আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না।’
এ সময় সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা উত্তেজনা প্রশমন করেন।
পরে সভাস্থল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমর্থক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকার।