News update
  • Bus Fares Rise by 17 Paisa Per Kilometre     |     
  • PM arrives in New York to attend 81st UNGA session     |     
  • Jatri Kalyan Samity urges withdrawal of increased fuel prices     |     
  • Global Diesel Shortage Likely to Persist Into 2027     |     

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুমকি ইরানের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-11, 5:22pm

eregtrtterter-58df93f91884a6abeb6f78a95a65d7761768130526.jpg




ইরানে চলমান নজিরবিহীন বিক্ষোভের মাঝে যুক্তরাষ্ট্রকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। রোববার(১১ জানুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বলেন, মার্কিন বাহিনী কোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ করলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নৌ-ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাবে ইরান। 

ইরানের এই হুমকির পর ইসরায়েল তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। বিশেষ করে গত জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এবারের উত্তেজনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে তেল আবিব। হোয়াইট হাউস থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার বিক্ষোভকারীদের ওপর শক্তি প্রয়োগ না করতে ইরানকে সতর্ক করছেন এবং প্রয়োজনে হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক জরুরি ফোনালাপে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

এদিকে দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমাতে কঠোর অবস্থানে গেছে ইরানের প্রশাসন। দেশটির পুলিশ প্রধান আহমদ-রেজা রাদান জানিয়েছেন, শনিবার রাতে বিক্ষোভের মূল পরিকল্পনাকারী ও গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভের নেপথ্যে থাকা গোষ্ঠীগুলোকে ‘দাঙ্গাকারী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে সংশয় থাকলেও মানবাধিকার কর্মীরা বড় ধরনের রক্তপাতের আশঙ্কা করছেন।

পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে ইরান ও ইসরায়েলের পুরনো শত্রুতা এখন রাজপথের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইসরায়েল সরাসরি হস্তক্ষেপের ইচ্ছা নেই বলে জানালেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি’ তেহরানকে ক্ষুব্ধ করেছে। ঘালিবাফ স্পষ্ট করেছেন, ‘দখলকৃত ভূখণ্ড’ অর্থাৎ ইসরায়েল এবং মার্কিন নৌ-পরিবহন কেন্দ্রগুলো এখন ইরানের নিশানায় রয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি হুমকি দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।