News update
  • Bangladesh Rise to Highest-Ever Sixth in Test Rankings     |     
  • President Mirza Fakhrul Begins Official Duties at Bangabhaban     |     
  • PM calls for fair, merit-based promotions in Navy, Air Force     |     
  • Four New Ministers, Two State Ministers Get Portfolios     |     
  • China Mulls Bid to Host 2028 UN Climate Talks     |     

নিজের তন্বী চেহারার রহস্য জানালেন জয়া আহসান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সেলিব্রিটি 2026-07-27, 11:17am

img_20260727_111600-3430119172d524661c794b42261788f41785129477.jpg




জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সম্প্রতি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে অভিনয়ের পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে নিজের কর্মক্ষমতা ধরে রাখার জন্য প্রত্যেক শিল্পীকেই নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। ব্যতিক্রম নন জয়া আহসানও। কিন্তু তার প্রতিদিনের জীবনযাপন খানিক অবাক করে দিতে পারে তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র চরিত্র পদ্মা তথা জয়া আহসানের জিমে বড় আলস্য। এ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার মাসকয়েক আগে থেকে জিম করা শুরু করেন অভিনেত্রী। তখন পিলাটিজ করে ক্যালোরি ঝরান তিনি। অর্থাৎ চিরাচরিত ফিটনেস রুটিনের প্রতি ঝোঁক নেই তার। কিন্তু জনপ্রিয় শারীরচর্চা থেকে খানিক দূরে থাকলেও মাঠঘাট, চাষের ক্ষেত তাকে সুস্থ রাখে, আনন্দে রাখে। 

জয়া বলেন, জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি। 

বাড়িতে হরেকরকম সবজির চাষ হয়। খাবারের থালাতেও সেই সবিজ রাঁধা পদই থাকে। বাড়িতে তৈরি সবজি দিয়ে রাঁধা খাবারই বেশি পছন্দ তার। ফলে রাসায়নিক সারের ভীতি থাকে না। নিজে চাষ করে খাওয়াদাওয়ারই পক্ষপাতি জয়া। তবে কালেভদ্রে যে বাইরের খাবার খান না, তা নয়। পিৎজা তার খুবই পছন্দের একটি খাবার। তা ছাড়া জাঙ্ক ফুডের প্রতি তত প্রীতি নেই তার। 

জয়া বলেন, যদি জাঙ্ক ফুড খেয়েও ফেলি, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি না আমি। কারণ মাঝে মাঝে মন ও আত্মাকেও খাওয়ানো উচিত বলে মনে করি। আর খুব বেশি সতর্ক হয়ে গেলে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন কীভাবে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলেন, চাষ করার চেয়ে ভালো শারীরচর্চা আর কী-ই বা হতে পারে! যারা নিয়মিত চাষবাস করেন, তাদের যে কেবল ক্যালোরি ঝরে, তা-ই নয়, পেশি মজবুত হয়, টোনিংয়ের কাজও হয়। তা ছাড়া সূর্যালোকের সংস্পর্শে শরীরে ভিটামিন ডির মাত্রা বেড়ে যায়। এই ভিটামিন শরীরের হাজারো কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

অনন্যা ভৌমিক আরও বলেন, আদিম যুগে কি জিম ছিল? যন্ত্র বা ব্যায়ামের নতুন ধারাও তখন আবিষ্কার হয়নি। তখন তারা ক্ষেতের কাজ করতেন, মাছ ধরতে যেতেন, কেউ বা শিকারে যেতেন। আর এসব কাজই একটা মানুষকে সুস্থ রাখতে পারে। যত কায়িক শ্রম হবে, ততই শারীরবৃত্তীয় কাজ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার মতো স্বাস্থ্যকর কী-ই বা হবে।

বাগান হোক বা চাষের কাজ করা হোক, পুষ্টিবিদের মতে, এই সমস্ত কাজ মনকে আনন্দ দেয়। ফলে শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ বাড়ে, আবার স্ট্রেস হরমোন অর্থাৎ কর্টিসলের মাত্রা কমে। সব মিলিয়ে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যও মাঠেঘাটে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যারা চাষের ক্ষেতে কাজ করার সুযোগ পান না, তারা বড় করে বাগান করতে পারেন। অনেকটা জায়গাজুড়ে হাঁটাচলা করা, ঘোরাঘুরি করার মাধ্যমেও শরীর বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু ছোটখাটো বাগানে এই উপকারিতাগুলো মিলবে না।