News update
  • Human Rights Record ‘Alarming’ Over 17 Months, Says HRSS     |     
  • Tarique Warns of Deep Plot, Urges Vigilance Nationwide     |     
  • Son of late ruler Gadhafi is killed in Libya      |     
  • Special prayers, foods, charity mark Shab-e-Barat in Old Dhaka     |     
  • Exiled Awami League Leaders Plan Political Comeback from India     |     

তীব্র শীতে যশোরে ১০ জনের মৃত্যু

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক হাসপাতাল 2026-01-09, 7:37pm

retertertr433-bbe91992309327783c0af057626311dd1767965870.jpg




যশোরে হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তীব্র ঠান্ডাজনিত নানা রোগে একদিনে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের বয়স ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। তারা সবাই ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জোবায়ের আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ২৯০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শতাধিক রোগী সরাসরি শীতকালীন রোগে আক্রান্ত, যাদের মধ্যে ৫৪ জনই শিশু। নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং শ্বাসকষ্টের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

মৃতদের স্বজনরা জানান, তীব্র ঠান্ডার কারণে হঠাৎ করেই শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তারা রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। মৃত মুন্সি মহিউদ্দিনের ছেলে জানান, ভোররাতে বাবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে হাসপাতালে আনার পথেই তিনি মারা যান। একইভাবে মনিরা খাতুন (৬৪) নামে এক বৃদ্ধা ১০ দিন অসুস্থ থাকার পর রাতে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

যশোর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। দিনভর সূর্যের দেখা না মেলায় এবং উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

ডা. জোবায়ের আহমেদ বলেন, শৈত্যপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের ফুসফুস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। এই অবস্থায় ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পর্যাপ্ত গরম কাপড় ব্যবহার এবং ঠান্ডা থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। সামান্য লক্ষণ দেখা দিলেই অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

তীব্র এই শীতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা থমকে গেছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।