News update
  • Bangladesh sees 31 risky heat days, 25 for CC, this summer     |     
  • ECNEC Approves Three Metro Rail Projects Worth Tk2.5tn     |     
  • Rising violence triggers UNSC emergency meeting on Yemen     |     
  • Gaza remains recovery points to possible war crimes: Volker Turk     |     

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে বাবার প্রতিক্রিয়া

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক আদালত 2026-06-07, 1:16pm

65y7trgyertre4e-e73c70da1e23aeda7ef68cf755bd4cae1780816573.jpg




রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় রায় ঘোষণার পর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা, সেই সঙ্গে এই রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবিও জানান তিনি। 

রোববার (৭ জুন) দুপুরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে রায় ঘোষণার আগে আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেন, হত্যার আগে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় বোঝা যায়, সোহেল স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে। স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন তার স্ত্রী স্বপ্না।

এর আগে রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে পুলিশ। এরপর তাদের দুজনকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা ঘর থেকে বের হয়। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান।

পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা।