News update
  • Govt Earns Public Trust in First Six Months: Mahdi Amin     |     
  • Myanmar Recognises 309,000 Rohingyas as Former Rakhine Residents     |     
  • Bangladesh Unaware of Hasina’s Status in India: Chief Prosecutor     |     
  • Rooppur to Supply 300MW to National Grid in September     |     
  • Iran Announces $30,000 Reward for Capturing US Troops     |     

দীর্ঘ হচ্ছে আগুনে মৃত্যুর মিছিল, অবহেলায় অপরাধীরা অধরা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2024-03-03, 9:03am

images-12-bbc38cb4fd9c092195b08983094bf5b21709435101.jpeg




নিমতলি, চুড়িহাট্টার পর আরও একবার এই শহর সাক্ষী হলো সন্তানহারা বাবা মায়ের আর্তনাদ আর অজস্র মানুষের কান্নার। একটির ক্ষত শুকানোর আগেই আরেকটি অগ্নিদুর্ঘটনা, আগুনে প্রাণহানি যেন প্রায় নিয়মিত ঘটনা। আগুনে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছে না, বরং দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। দেশে গড়ে দিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ৭৭টি ঘটে। আর এসব ঘটনায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানিতে অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলাও হয়। তবে তা থেকে যায় অবহেলায়। বিচারের মুখ দেখেনা কোন ঘটনা, ফলে পার পেয়ে যায় অপরাধীরা।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে লাগা রাজধানীর বেইলি রোডের আগুন কেবল ৪৬টি প্রাণই কেড়ে নেয়নি। অসংখ্য মানুষকে করেছে স্বজনহারা। ফায়ার সার্ভিসের ১৩ ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘণ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুড়ে গেছে বাণিজ্যিক ভবনটি। ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা।

তবে বেইলি রোডের আগুনে এই মৃত্যুর মিছিল নতুন কিছু নয়। গত এক যুগে ঢাকায় অসংখ্য অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালের ৩ জুন রাজধানীর পুরান ঢাকার নিমতলীতে রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের গুদামে বিস্ফোরণ থেকে আগুনের ঘটনায় নারী এবং শিশুসহ নিহত হয় ১২৪ জন। ২০১২ সালে আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডে ১১৭ জন, ২০১৬ সালে টঙ্গীতে ট্যাম্পাকো ফয়েলস প্যাকেজিং কারখানায় ৩১ জন, ২০১৯ সালে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ৭১ জন, বনানীর এফআর টাওয়ারে ২৬ জন। এসব ঘটনায় অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলা করা হয়। মামলাগুলোর তদন্ত শেষ হলেও সাক্ষী না আসায় এখনো বিচার শেষ হয়নি।

২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তাজরীন ফ্যাশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১৭ জন নিহত হন। আরও দুই শতাধিক শ্রমিক আহত ও দগ্ধ হন। পরদিন পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে তাজরীন ফ্যাশনের এমডি দেলোয়ারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। দুিই বছর পর ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ । মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে আছে। মামলার ১০৪ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মাত্র ১১ জন। তথ্য সূত্র আরটিভি নিউজ।