News update
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     
  • Air Force officer Saifur sent to jail over Ilias Ali disappearance     |     
  • Cultivation of Black Baby watermelons on a rooftop in Kalapara     |     

প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৩০৫ জনের, ভোটের মাঠে থাকছেন ১৯৬৭

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক নির্বাচন 2026-01-21, 7:43am

a8c91024ecfd6ca1e5d0215be7369a152a693313344a0622-a844e9957f521662bd545a8469acae931768959784.jpg




ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে। সারা দেশে ৩০৫ জন প্রার্থী ভোটের মাঠ ছেড়েছেন। ফলে ২৯৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।

‎নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঢাকা-১২ আসনে এবার সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ১৩ জন প্রার্থী নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে। আর সর্বনিম্ন প্রার্থী রয়েছেন দুজন। তবে এবারের ভোটে থাকছে না একক প্রার্থী।

ইসি সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর। নির্ধারিত সময়ে এবার ৩০০ সংসদীয় আসনে ২৫৮৫ মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলের পর বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১৮৫৮ জন।

রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়রি থেকে আপিল আবেদন নেয়া হয়। ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৩৯ জন আপিল করেন। ১০ জানুয়ারি থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়ে একটানা ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। এবার ৬৪৫ জন আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩১ জন।

অবশ্য পাবনা ১ ও পাবনা-২ আসনে আগে বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী (আগের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা ১৩ জনের) এ তালিকা থেকে বাদ যাবেন। ভোটের দিন একই রেখে এ দুটি আসনে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) ছিল এই দুটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। শেষ দিনে পাবনা-১ আসনে সাতটি ও পাবনা-২ আসনে পাঁচটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এরপর আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু হবে। ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা করা যাবে। ত্রয়োদশ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একইদিনে হবে গণভোট। সেখানে ‘হ্যা’ এবং ‘না’ ভোটের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ সম্পর্কে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাবেন ভোটাররা।