
প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে সরকার। চলতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই মূল্যায়ন পদ্ধতি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে সব বিষয়ে ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০:৫০।
আর তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ রাখা হয়েছে।
এর অর্থ হলো, শিক্ষার্থীদের মোট ফল নির্ধারণে শুধু লিখিত পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক নিয়মিত শেখার অগ্রগতিতেও গুরুত্ব দেয়া হবে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের আওতায় শিক্ষার্থীর ক্লাসে অংশগ্রহণ, বাড়ির কাজ, দলগত কার্যক্রম, আচরণ ও দক্ষতা বিবেচনায় নেয়া হবে।
আর সামষ্টিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় শেষে নেয়া পরীক্ষা থেকে শিক্ষার্থীর শেখার সার্বিক অর্জন যাচাই করা হবে। নির্ধারিত এই অনুপাত অনুযায়ী প্রতিটি শ্রেণিতে দুই ধরনের মূল্যায়নের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত অগ্রগতি নির্ধারণ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতা, আচরণ ও বাস্তবভিত্তিক শেখার অগ্রগতি মূল্যায়নের লক্ষ্যেই এ পরিমার্জিত কাঠামো অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)।
গত ২৬ জানুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় এমন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। সভায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।