News update
  • US Suspends Visa Interviews Worldwide for Consular Training     |     
  • Mecca Pact Puts Bangladesh’s Foreign Policy to New Test     |     
  • Remittance reaches $2.34 billion in first 24 days of August     |     
  • BSF men flee leaving behind 2 shotguns, walkie-talkie      |     
  • Bhutan King makes brief stopover in Dhaka, meets President     |     

পদত্যাগ করলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ঘটনা কী

ক্যাম্পাস 2026-08-06, 11:03am

img_20260806_110313-e5f5de89d73164070a1bb286350154b01785992613.jpg




চৌর্যবৃত্তির বিতর্কের সমাপ্তি টানতে পদত্যাগ করলেন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেসন আরডে। তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে তার পদত্যাগ।

এর আগে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অধ্যাপক আরডের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সম্মানসূচক নিয়োগের বিষয়ে ‘নতুন তথ্য পাওয়ার পর’ তারা একটি তদন্ত শুরু করেছে। মূলত ২০২৪ সালে কেমব্রিজের পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া অন্য একজন শিক্ষাবিদ নাথান কফনাসের একটি দাবির পর এ পরিস্থিতি তৈরি হয়।

নিজেকে ‘রেস রিয়েলিস্ট’ বা জাতিগত বাস্তববাদী হিসেবে পরিচয় দেওয়া নাথান কফনাস দাবি করেন, আরডের গবেষণাকর্মে তিনি অসংখ্য চৌর্যবৃত্তির প্রমাণ পেয়েছেন। একই সঙ্গে আরডের অর্জিত কিছু সাফল্যের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এক বিবৃতিতে অধ্যাপক আরডে বলেন, কেমব্রিজে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পাওয়াটা নিঃসন্দেহে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় পেশাদার গৌরব ছিল। তবে এ নিয়োগের পর থেকে তিনি জনসমক্ষে ক্রমাগত কঠোর সমালোচনা ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়ে আসছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে একপর্যায়ে ব্যক্তিগত ক্ষতি ও মানসিক চাপ সামলানোর সীমা ছাড়িয়ে যায়।

অভিযুক্ত শিক্ষাবিদ জেসন আরডে অবশ্য তার গবেষণাকর্মে ভুলের কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি কোনোভাবেই ‘মিথ্যাবাদী’ নন বলে জোরালো দাবি তার।

গতকাল বুধবার ব্রিটেনের জনস্বার্থমুখী আইনি সংগঠন ‘গুড ল প্রজেক্ট’–এর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অধ্যাপক আরডে বলেন, কেমব্রিজে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পাওয়াটা নিঃসন্দেহে তার জীবনের সবচেয়ে বড় পেশাদার গৌরব ছিল। তবে এ নিয়োগের পর থেকে তিনি জনসমক্ষে ক্রমাগত কঠোর সমালোচনা ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়ে আসছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে একপর্যায়ে ব্যক্তিগত ক্ষতি ও মানসিক চাপ সামলানোর সীমা ছাড়িয়ে যায়।

অবশ্য এই অধ্যাপক বলেন, তার পদত্যাগকে যেন গবেষণা বা সেই মূল্যবোধের প্রতি আস্থাহীনতা হিসেবে ব্যাখ্যা না করা হয়, যে মূল্যবোধ তাকে প্রথম কেমব্রিজে নিয়ে এসেছিল। আমাকে ঘিরে যে বর্ণনাগুলো তৈরি হয়েছে, আমার পদত্যাগকে সেগুলো মেনে নেওয়া বলেও যেন মনে না করা হয়।

নিজের শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আর্ডে বলেন, আমার নিজের সুস্থতা, আমার পরিবার এবং এ কঠিন সময়ে যাঁরা আমার পাশে ছিলেন, তাঁদের কথা ভেবেই আমি এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে এই অধ্যায়ের ইতি টানার একমাত্র উপায় হলো সরে দাঁড়ানো।

তিনি আরও বলেন, এটি আমার কাজের সমাপ্তি নয়। সেই সময় এলে আমি আবার ফিরব।