News update
  • Dhaka Wants Conducive Environment For PM Tarique’s India Visit     |     
  • Healthy Diet Becomes Costlier Although Hunger Eases     |     
  • Biodiversity Still at Breaking Point; With It Our Survival     |     
  • The Fight To Preserve Indigenous Languages     |     
  • Glacial collapse cause mudslide-flood on China Nepal borders     |     

জাকসুর জিএস শিবিরের মাজহারুল ইসলাম

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্যাম্পাস 2025-09-13, 8:45pm

265652d9003ec54aa2a17686fc7aa25b533d7d8b5ecf01cf-ddd6bf7aa189d311cff2905d9071da401757774743.jpg




জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নির্বাচন কমিশন জানায়, জিএস পদে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়েছেন মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাকসুর ভোটগ্রহণ করা হয়। ২১টি আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্স নেয়া হয় সিনেট হলে। সেখানে প্রায় ৪৭ ঘণ্টা ধরে ভোট গণনা চলে।

ভোট গণনা শেষ হওয়ার সময়সীমা ও নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ নিয়ে একেকবার একেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গতকাল শুক্রবার রাতের মধ্যেই জাকসু ও ২১টি হল সংসদের ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান।

তবে সেই সময় পেরিয়ে আজ দুপুর আড়াইটার দিকে ভোট গণনা শেষ হয়। ভোট গুনতে লাগল ৪৭ ঘণ্টারও বেশি সময়।

এবারের জাকসু নির্বাচনে নির্বাচনে মোট ১১ হাজার ৭৫৯ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৭৭ জন প্রার্থী। এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন এবং যুগ্ম সম্পাদক (এজিএস) পদে ১৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৬ জন।

নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলে নিবন্ধিত মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ১১৫ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৭২৮ জন। ভোটগ্রহণের জন্য ২১টি কেন্দ্রে ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়।

ছাত্রদের হলভিত্তিক ভোটার সংখ্যা হলো: আল বেরুনী হলে ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হলে ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হলে ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হলে ৫১৪ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হলে ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হলে ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হলে ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হলে ৯৪৭ জন।