News update
  • Stocks advance at both bourses; turnover improves     |     
  • LCs surge for stable dollar, but settlement still sluggish     |     
  • Recruiting agencies’ explosive growth in BD unchecked: RMMRU     |     
  • Dhaka’s air quality recorded ‘unhealthy’ Thursday morning     |     
  • LPG Traders Announce Nationwide Halt to Cylinder Sales     |     

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-01-07, 12:44pm

5rtgdrtge-cfdd5526ebb2ec3632c260b82411b6b71767768259.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকার নতুন আপডেটে এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে বাংলাদেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাড়তি সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। 

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভিসা বন্ডের আওতায় পড়া দেশগুলোর তালিকা আপডেট করে। এতেই যুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এই তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ৩৭টি দেশের নাম।

নিয়ম অনুযায়ী, এই ৩৮ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার জন্য ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের হালনাগাদ তথ্যে এই নতুন দেশগুলোর তালিকা ও কার্যকর হওয়ার তারিখ প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। প্রতিটি দেশের আলাদা আলাদা তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। 

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও কনস্যুলার অফিসার চাইলে তার ওপর এই বন্ডের শর্তারোপ করতে পারেন। বন্ডের পরিমাণ নির্ধারিত হবে তিনটি ধাপে— ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার মার্কিন ডলার। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ওপর ভিত্তি করে এই পরিমাণ নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট ভিসা কর্মকর্তা।

বন্ডের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসার নির্দেশনা দেওয়ার আগে কোনো অর্থ জমা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান (ওভারস্টে), তাদের নিরুৎসাহিত করা। 

বন্ডের টাকা স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। স্টেট ডিপার্টমেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী নিচের পরিস্থিতিতে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে— 

• যদি ভ্রমণকারী অনুমোদিত সময়ের মধ্যে বা তার আগে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন।

• যদি ভিসা পাওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করেন।

• যদি মার্কিন বিমানবন্দরে তাকে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়।

তবে যদি কেউ নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করেন বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন, তবে সেই জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে।

নির্দিষ্ট বিমানবন্দর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর তিনটি হলো— বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (বিওএস), জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (জেএফকে) ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (আইএডি)।

এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা টাকা ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি এই তালিকায় আরও আছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল, উগান্ডা। 

এই নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে।