News update
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     

রেল ও নদীপথকে ঢেলে সাজিয়ে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে - পরিকল্পনা উপদেষ্টা

যোগাযোগ 2025-12-15, 11:08pm

prof-274523daa1b3c252c7f863086259dbfb1765818504.jpg

Prof. Wahiduddin Mahmud. - Wikipedia



ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর:পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক স্বার্থে সড়ককে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সস্তা রেল ও নদীপথকে উপেক্ষা করেছি। আমাদের রেল ও নদীপথকে ঢেলে সাজাতে হবে। মালামাল পরিবহনে সড়কপথের বিকল্প হিসেবে রেল ও নদীপথের অধিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।

আজ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকায় সড়ক ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত অংশীজন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা উপদেষ্টা একথা বলেন। বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই অংশীজন সেমিনারের উদ্দেশ্য ছিল দেশের পরিবহন ব্যবস্থার সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়নকে আরো শক্তিশালী করা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মঈনুদ্দিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা বলেন, পরিবহন সেক্টরে উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়ের অভাবে অন্যান্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ক্ষতি এড়াতে সমন্বিত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি সরকার গুরুত্বারোপ করছে। এর অন্যতম উদ্দেশ্য ন্যাচারাল হাইওয়ে বাধাগ্রস্ত না করা, এক ধরনের যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নির্ভরতা কমানো, যথাযথ তথ্য উপাত্তনির্ভর পরিবহন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ, নগর পরিকল্পনাবিদ উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বন্দর ও টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ সংগঠন এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তারা এই বিকল্প মাল্টি মোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন ও বিভিন্ন সুপারিশ প্রদান করেন। এ বিষয়ে পরবর্তীতে স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে পৃথক সেমিনার আয়োজন করা হবে।

এছাড়া সেমিনারে প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশসমূহ বেসলাইন অ্যাসেসমেন্ট ও কৌশলগত রোডম্যাপের পরিমার্জনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যা দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ, সমন্বিত ও বাস্তবায়নযোগ্য জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের পথ প্রশস্ত করবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তথ্যবিবরণী  নম্বর: ১৮৯৫