News update
  • PM to address UNGA in Bangla today     |     
  • UNGA President Warns Against Fading Attention to Rohingya     |     
  • PM Proposes Five Urgent Steps to Resolve Rohingya Crisis     |     
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     

জেলেন্সকির সাথে আলাপকালে শান্তি প্রচেষ্টাকে সমর্থন করলেন মোদী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2022-12-28, 8:46am




ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির সাথে এক ফোনালাপের সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইউক্রেনে শান্তি প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। এ সময়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট “একটি শান্তি ফর্মুলা” বাস্তবায়নে ভারতের সহায়তা কামনা করেন।

সোমবার জেলেন্সকি টুইটারে লেখেন, “@পিএমওইন্ডিয়া নরেন্দ্র মোদীর সাথে আমার ফোনে কথা হয়েছে এবং [আমি] #জিটুয়েন্টি সভাপতিত্বে [তাদের] সফলতা কামনা করেছি। এই প্ল্যাটফর্মেই আমি শান্তি ফর্মুলার ঘোষণা দিয়েছিলাম এবং এখন আমি সেটির বাস্তবায়নের জন্য ভারতের অংশগ্রহণের উপর ভরসা করছি।”

২০টি বৃহৎ অর্থনীতির দেশের এই জোটের সভাপতিত্বের পদটি ১ ডিসেম্বর থেকে আরম্ভ করে এই বছরের জন্য ভারত গ্রহণ করেছে।

গত মাসে ইন্দোনেশিয়ায় জি-টুয়েন্টি সম্মেলনে দেওয়া এক ভার্চুয়াল বক্তব্যে, ইউক্রেনের ১০ দফা শান্তি ফর্মুলা গ্রহণের জন্য জেলেন্সকি জোটটির প্রতি অনুরোধ জানান। শান্তি ফর্মুলাটিতে ইউক্রেন থেকে রুশ সৈন্য প্রত্যাহার এবং ইউক্রেনের ভূখণ্ডের অখণ্ডতা পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলেন্সকি সে সময়ে বলেছিলেন “এখন” যুদ্ধের অবসানের সময়।

জেলেন্সকির সাথে ফোনালাপটির বিষয়ে সোমবার দিনের শেষদিকে ভারত সরকারের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয় যে মোদী “অবিলম্বে সংঘাতের অবসানের জন্য তার আহ্বান জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছেন”। বিবৃতিতে আরও বলা হয় যে, নিজেদের মতপার্থক্যের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান সন্ধানে উভয়পক্ষেরই উচিৎ আলোচনা ও কূটনীতিতে ফিরে আসা। বিবৃতিটিতে জানানো হয় যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী যে কোন শান্তি প্রচেষ্টার প্রতি ভারতের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন, এবং আক্রান্ত বেসামরিক মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখার বিষয়ে ভারতের অঙ্গীকারের বিষয়ে জেলেন্সকিকে আশ্বস্ত করেছেন।

বিবৃতিটিতে আরও বলা হয় যে, “প্রধানমন্ত্রী [মোদী] জি-টুয়েন্টি সভাপতিত্বে ভারতের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো ব্যাখ্যা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য ও জ্বালানী নিরাপত্তার মত বিষয়গুলো নিয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্বেগগুলো ব্যক্ত করা।” তথ্য সূত্র ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা।