News update
  • As wars spread, the global food system unravels     |     
  • Holy Eid-e-Miladunnabi Wednesday     |     
  • EU sees Bangladesh as partner of growing strategic importance: Miller     |     
  • Journalism’s main task is to question power: Swapon     |     
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     

বিক্ষোভে উত্তাল ইরানে নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-12, 8:23am

4treterter-2b1af57f117d3ebe91b1682589806af31768184603.jpg




ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। 

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী ও ৪৮ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। দুই সপ্তাহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০ হাজার ৬০০-এর বেশি মানুষকে। 

যদিও ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি, তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তেহরানের মর্গগুলোতে কয়েক ডজন লাশের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ তাদের ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরান স্বাধীনতার দেখা পাচ্ছে, যা আগে কখনো হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাহায্যের জন্য প্রস্তুত!

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ট্রাম্প তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে বসবেন। সেখানে তাকে চারটি বিকল্প দেওয়া হতে পারে—সরাসরি সামরিক হামলা, গোপন সাইবার অস্ত্রের ব্যবহার, আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বিক্ষোভকারীদের ইন্টারনেটসহ প্রযুক্তিগত সহায়তা।

তবে মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও রেভল্যুশনারি গার্ডের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ওয়াশিংটনকে কড়া বার্তা দিয়েছেন। আজ ইরানের পার্লামেন্টে তিনি বলেছেন, যদি ইরানের ওপর হামলা হয়, তবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন সব মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে পুরোপুরি ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। এর মধ্যেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। রয়টার্স নিশ্চিত করেছে, মাশহাদের রাস্তায় রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলছে এবং সেখানে বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে। তেহরানের রাস্তায় রাতভর মিছিলের ভিডিওতে দেখা গেছে, জনসমুদ্রের ‘শুরু বা শেষ নেই’।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতিকে ইরানের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ হিসেবে দেখছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এ নিয়ে নিবিড় যোগাযোগ চলছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।