News update
  • U.S. Embassy Dhaka Welcomes Ambassador-Designate Brent T. Christensen     |     
  • Survey Shows Tight Race Between BNP and Jamaat-e-Islami     |     
  • Yunus Urges Lasting Reforms to End Vote Rigging     |     
  • Govt Cuts ADP to Tk2 Lakh Crore Amid Fiscal Pressure     |     
  • Home Adviser Urges Ansar Professionalism for Fair Polls     |     

ইরানে সামরিক হামলার বিষয়টি এখনো বিবেচনায় রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-13, 7:04am

egeterte-375f3ba45088c2303fe59d02290900b21768266243.jpg

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত



ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে দেশটির সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে সামরিক হামলার হুমকি অব্যাহত রেখেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তারা জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতিতে যেসব বিকল্প নিয়ে ভাবা হচ্ছে, তার মধ্যে বিমান হামলা অন্যতম।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটের বরাতে এসব তথ্য এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করে কাতার ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা।

সাংবাদিকদের লেভিট বলেন, ‘কূটনীতি সর্বদাই প্রথম বিকল্প, তবে সামরিক হামলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি বিষয়ে খুব দক্ষ, আর তা হলো তিনি সব সময় তার সব বিকল্প খোলা রাখেন। এবং কমান্ডার-ইন-চিফ বা প্রধান সেনাপতির জন্য টেবিলে থাকা অনেক অনেক বিকল্পের মধ্যে বিমান হামলাও একটি।’

গত কয়েক দিন ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ ও দাঙ্গায় ইরান উত্তাল হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তা বাহিনী এর জবাবে কঠোর দমনপীড়ন চালাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাঙ্গায় বহু নিরাপত্তা কর্মীও প্রাণ হারিয়েছেন।

বিরোধী কর্মীরা দাবি করছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি এবং এর মধ্যে শত শত বিক্ষোভকারী রয়েছেন। তবে স্বাধীনভাবে এই পরিসংখ্যান যাচাই করা যায়নি। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের কারণে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালানো ট্রাম্প এর আগেও তেহরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি না মানলে আরও হামলা চালানো হবে। বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের কঠোর দমনপীড়নকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের এই শত্রুর বিরুদ্ধে আরও সামরিক হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন।

 ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘন হতে পারে। তবে ট্রাম্প প্রায়শই তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাওয়া দেশগুলোকে সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে থাকেন।

 এদিকে সোমবার দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মতো কিছু সদস্য ট্রাম্পকে তেহরানের সঙ্গে নতুন করে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা হামলার পরিবর্তে কম কঠোর কোনো বিকল্প বেছে নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ইরান কল করেছিল এবং তারা আলোচনা করতে চায়।

এ বিষয়ে লেভিট বলেন, ‘ইরানি সরকারের কাছ থেকে প্রকাশ্যে আপনারা যা শুনছেন, গোপনে প্রশাসন তাদের কাছ থেকে যে বার্তা পাচ্ছে তা বেশ আলাদা।’

 তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রেসিডেন্ট দেখিয়ে দিয়েছেন যে প্রয়োজন মনে করলে তিনি সামরিক বিকল্প ব্যবহার করতে ভয় পান না, এবং ইরানের চেয়ে ভালো এটা আর কেউ জানে না।’