News update
  • PM Proposes Five Urgent Steps to Resolve Rohingya Crisis     |     
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     
  • El Niño Tests Global Readiness for a Changing Climate     |     
  • Dhaka's air quality recorded moderate on Wednesday morning      |     

ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিস? রাতে খেয়ে দেখুন এই ৭ পানীয়

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রোগবালাই 2025-11-30, 9:01am

62222373798fb023a3aeb83d7389024a30cfcf06a7e44c99-294c6d55cb8924220b3ad8d71a4eccd21764471707.jpg




রাতের ঘুমের আগে আমরা যা খাই বা যা পান করি, তা অনেকটা নির্ধারণ করে পরের দিনের শক্তি, মন এবং রক্তের শর্করার মাত্রা। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, প্রিডায়াবেটিস বা ইনস্যুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকা মানুষদের জন্য রাতের কিছু বিশেষ পানীয় সত্যিই অনেক উপকারী।

এসব পানীয় শরীরকে শান্ত রাখে, হরমোনের ওঠা-নামা কমায় এবং ঘুম ভালো হয়। বিশ্বখ্যাত ওয়েলনেস বিশেষজ্ঞ ডক্টর এরিক বার্গ মনে করেন, রাতে এই ধরনের পানীয় খেলে ঘুমের সমস্যা ও রক্তের শর্করার দুষ্টচক্র ভাঙা সম্ভব।

চলুন জেনে নিই এমনই ৭টি জাদুকরী পানীয়র কথা-

১) আপেল সিডার ভিনেগার এবং দারুচিনি

এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে সামান্য দারুচিনি দিতে পারেন। এটি রাতের খাবারের পরে বা ঘুমের আগে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। এটি পান করলে শর্করা ধীরে হজম হয়, হঠাৎ স্পাইক হওয়ার ঝুঁকি কমে। দারুচিনি ইনস্যুলিনের মতো কাজ করে এবং কোষে শর্করা ঢুকতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীরে প্রদাহ কমায়। ফলে সকালে রক্তের শর্করা স্থির থাকে এবং শরীর সতেজ থাকে।

২) ক্যামোমাইল চা

রাতে এক কাপ গরম ক্যামোমাইল চা পান গভীর ঘুমে সাহায্য করে এবং কোর্টিসল হরমোনের কারণে রক্তে শর্করা ওঠা-নামা কমায়। চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে রক্ষা করে এবং ইনস্যুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। ফলে শরীর শান্ত থাকে, রাতে ভালো ঘুম হয় এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠা আরও সহজ হয়।

৩) গোল্ডেন মিল্ক

এক কাপ গরম দুধে হালকা হলুদ ও আদা দিয়ে এক চিমটি কালো গোলমরিচ মিশিয়ে রাতে পান করা ভালো। হলুদ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ইনস্যুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। আদা শরীরের প্রদাহ কমায় এবং প্যানক্রিয়াসকে সহায়তা করে। কালো গোলমরিচ হলুদ থেকে কার্যকর উপাদান শোষণে সাহায্য করে। এছাড়া এটি লিভার সুরক্ষিত রাখে, হজম সহজ করে এবং ঘুম আরামদায়ক হয়।

৪) অ্যালোভেরা জুস

রাতের খাবারের পরে অল্প অ্যালোভেরা জুস পান করা যায়। এটি শর্করা ধীরে শোষিত করতে সাহায্য করে এবং ইন্সুলিন সংকেত শক্তিশালী করে। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরল কমায় এবং হালকা প্রদাহও কমায়। ফলে শরীর সতেজ থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে রক্তের শর্করা স্থিতিশীল থাকে।

৫) বেরবেরিন চা

রাতের আগে এক কাপ বেরবেরিন চা খেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ভারসাম্য বজায় থাকে এবং ইনস্যুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ে। এটি প্রিডায়াবেটিস প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এছাড়া হজম সহজ হয়, রাতের ঘুম শান্ত এবং সকালে মন ও শরীর সতেজ থাকে।

৬) শর্করা-মুক্ত ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক

রাতের সময়ে চিনিমুক্ত ইলেকট্রোলাইট পান করা উচিত, বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিসে ভুগছেন। এটি শরীরের খনিজ ভারসাম্য বজায় রাখে এবং ডিহাইড্রেশন রোধ করে। ফলে রক্তে শর্করার ওঠা-নামা কমে, পেশি খিঁচুনি দূর হয় এবং রাতে শক্তি ধরে রাখা সহজ হয়।

৭) সল্ট ওয়াটার সোল

এক গ্লাস পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করা যায়। এটি শরীরের খনিজ ভারসাম্য বজায় রাখে এবং সাময়িকভাবে ইনস্যুলিন সংকেতকে সহায়তা করে। অন্যান্য পানীয়ের সঙ্গে হালকা মিশিয়ে নেয়া যায়, যা শরীরের খনিজ যোগে আরও কার্যকর হয়।