
ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে ১১৬ রানে। মেহেদী হাসান মিরাজ বিদায় নিলে হাল ধরার মতো একজনই টিকে থাকেন। লিটন দাস হাল ধরেছেনও। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে দ্বিতীয় সেশনের বাকিটা সময় নির্বিঘ্নে কাটিয়েছেন। আর কোনো অঘটন ঘটতে দেননি।
লিটন-তাইজুলের অবিচ্ছিন্ন৫২ রানের জুটিতে দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫৪ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৮ রান। লিটন ৪২ ও তাইজুল ১১ রানে অপরাজিত।
মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই নেই তিন উইকেট। তবু, আশা ছিল। ক্রিজে ছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। কিন্তু, তারাও ব্যর্থ। লাঞ্চ থেকে ফিরে দ্রুতই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশনে সবার আগে সাজঘরে ফেরেন শান্ত। ২৯ রান করে মোহাম্মদ আব্বাসের বলে উইকেটের পেছনে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ক্যাচ দেন। তাতে ভাঙে মুশফিকের সঙ্গে ৪৩ রানের জুটি। ২৩ রান করে মুশফিক আউট হন খুররাম শাহজাদের বলে। ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজকেও (৪) বিদায় করেন খুররাম।
এর আগে সকালের শুরুটা হয়েছে দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১০ ওভারের মধ্যে হারাতে হয় দ্বিতীয় উইকেট। পাঁচ ইনিংস পর ফিফটির আগে আউট হয়ে বিপদ খানিক বাড়িয়ে দেন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক। খুররাম শাহজাদের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২২ রান করেন মুমিনুল।
প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় বলে মোহাম্মদ আব্বাসের ডেলিভারিতে স্লিপে সালমান আগার হাতে ক্যাচ তুলে দেন মাহমুদুল হাসান জয়। রানের খাতা খোলার আগেই নেই উইকেট। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকেও ফিরিয়েছেন আব্বাস। ১০ম ওভারে শেষ বলে আব্বাসকে ফিরতি ক্যাচ দেন তামিম। ৪৪ রানে ঘটে দ্বিতীয় উইকেটের পতন। ফেরার আগে ২৬ রান আসে অভিষিক্ত তামিমের ব্যাট থেকে।
দিনের শুরুতে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মাঠে গড়িয়েছে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। আজ শনিবার (১৬ মে) টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। সফরকারীদের সামনে ম্যাচটি মান রক্ষার।
একাদশে দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। চোটের কারণে ছিটকে পড়া সাদমান ইসলামের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। পেসার ইবাদত হোসেনকে বসিয়ে একাদশে ফেরানো হয়েছে শরীফুল ইসলামকে।